Skip to main content

Posts

সিঁদেল চোরের পছন্দের দশ সামগ্রী

১. নগদ টাকা: একজন সিঁদেল চোর মনে মনে যে শপিং লস্টি তৈরি করে রেখেছে সেটা যদি আপনি দেখতে পেতেন তাহলে দেখতেন সেখানে নগদ টাকা সবার উপরে আছে। এটার নগদ মূল্য আছে এবং যেকোনো লেনদেনে ব্যবহার করা যায়। আর সে কারণেই সিঁদেল চোরের প্রথম টার্গেট থাকে নগদ টাকা অথবা সহজেই নগদ টাকায় পরিণত করা যায় এমন কিছু সামগ্রী। ২. ওয়ালেট এবং পার্স: সিঁদেল চোরেরা ওয়ালেট এবং পার্স নিতে খুবই পটু। তারা এটা নিতে পছন্দ করে কারণ এটার মধ্যে নগদ টাকা, ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড এবং আইডি কার্ড থাকে। চোরেরা ক্রেডিট কার্ড সম্ভবত ডেবিট কার্ড থেকেও টাকা তুলে নিতে পারে। আর আইডি কার্ড থেকে তারা ঠিকানা নিয়ে অথবা পরিচয় নকল করে বড় চুরির পরিকল্পনা করতে পারে। ৩. স্মার্ট ফোন ও ট্যাবলয়েট: স্মার্ট ফোন এবং ট্যাবলয়েট মানুষের অত্যাবশকীয় যন্ত্রে পরিণত হয়েছে। আর সিঁদেল চোরেরাও এই যন্ত্রগুলি তাদের চুরির তালিকায় অর্ন্তভূক্ত করেছে। কারণ এই যন্ত্রগুলো খুব সহজেই অন্যের কাছে বিক্রি করা যায়। ৪. মূল্যবান খেলনা ও ইলেট্রনিক সামগ্রী: একজন চোর ভালো গেমস খেলতে না পারলেও পিএস.ফোর এর মতো মূল্যবান খেলনা সামগ্রী চুরি করতে পিছপা হবে না। কারণ এগুলো রাস...

বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা

বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর এবং সেগুলোর ছবি সমগ্র দেশের আইন শৃংখলা পরিস্থিতির অবণতি এবং চরম অবস্থার সাক্ষী দিচ্ছে। অন্তরবর্তীকালীন সরকারের বিষয়ে সরকারী এবং বিরোধী দলের বাকযুক্ত পরিস্থিতির আরো অবণতি ঘটাচ্ছে। কিন্তু যেটি সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়ে সেটা হচ্ছে সন্ত্রাসীরা ও চরমপন্থীরা এখন ব্যবসায়ীদের টার্গেট করছে। কারণ তা সহজ এবং ফলপ্রসু। দেশজুড়ে হত্যাকান্ড এবং গুমের ঘটনা সরকারের শেষ সময়টাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলছে। প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলছে সরকারের সামর্থকে। এখনই যদি এমন পরিস্থিতিরি উদ্ভব হয় তাহলে আসন্ন সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের পরিস্থিতি কি হতে পারে সেটা ভেবে স্বাভাবিকভাবেই মানুষ বেশ শঙ্কিত। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দুই মাসে প্রতিদিন গড়ে ১৪ জন করে মানুষ মারা গেছে। যাদের মধ্যে ছাত্র, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ এবং সাধারণ মানুষও রয়েছে। এটাই দেশের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির চরম অবণতির বিষয়টি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। চলতি বছর প্রতিদিন গড়ে ১২ জন করে মানুষ মারা যাচ্ছে। ২০১২ সালে যার প্রতিদিন গড়ে ১১ জন মানুষ মারা গিয়েছিল। আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী রাজপথের সহিংসতা বন্ধেই হিমশিম খাচ্ছে। ফ...

সঠীক পদক্ষেপ

সব মানুষের জন্য খাদ্য নিশ্চয়তা এবং কিভাবে খাবার অপচয় রোধ করা যায় ব্যানারে সভা সেমিনার করে যদি খাবার অপচয় করা হয় আমন্ত্রিত ব্যক্তিদের সন্তুষ্টির জন্য তাহলে লাভ কি? নিতে হবে সঠীক পদক্ষেপ।

ক্রিকেটারদের কাছ থেকে সরকারী কর্মকর্তাদের যা কিছু শিক্ষনীয়

বাংলাদেশের সরকারী কর্মকতাদের নিয়ে একটি সাধারন ধারনা প্রচলিত যে তারা অলস, র্দূনীতি পরায়ণ এবং সাধারণ মানুষকে হয়রান করতে ভালবাসে; হোক তারা ব্যাংকার, পুলিশ কর্মকর্তা বা সচিবালয়ের কর্মকর্তা। বাস্তবতা হলো সাধারন মানুষ সরকারী কর্মকতাদের মোটেও পছন্দ করে না। তারা প্রয়োজনীয় কাজগুলো এত সময় নিয়ে করে যে সাধারন মানুষ তাদের কাছে যেতে চায় না। অন্যদিকে বাংলাদেশের ক্রিকেটারেরা জনপ্রিয়। তারা দারিদ্রতা, দাঙ্গা হাঙ্গামা ও অসহনীয় যানজটের মাঝেও দেশবাসীকে আনন্দের সুবাতাশ এনে দেয়। তাদের আত্মত্যাগ, দৃঢ়তা এবং দেশের প্রতি ভালবাসা অতুলনীয়। সরকারি কর্মকর্তারা যদি ক্রিকেটারদের মতন হতেন তাহলে আনেক সমস্যা কমে যেত। যেমন... পরিশ্রম ক্রিকেটারেরা সব সময় নিজেদের অনুশীলনের মধ্যে রাখে এমনকি যখন কোন খেলা থাকে না। তারা নিজেদের দক্ষতা আরো বাড়ানোর জন্য কঠর পরিশ্রম করে। সব সরকারী র্কমকর্তাদের কঠোর পরিশ্রম করা উচিত যাতে করে তার নিজ নিজ কর্ম ক্ষেত্রে নিজেদের দক্ষতা আরো বাড়াতে পারে। আনুগত্য কোন ম্যাচ চলার সময় ক্রিকেটারেরা কখনও খেলা ছেড়ে মাঠ থেকে বের হয়ে আসে না। মাঠে প্রবেশ করে খেলার শেষ পর্যন্ত লড়ে যায়। এই সেদিন মাত্র ২২ বছরে...

দেশের প্রথম এলএনজি টার্মিনাল

রাষ্ট্রীয় তেল ও গ্যস কোম্পানি পেট্রোবাংলা বঙ্গপোসাগরের মহে শ খালি দ্ব ী পে ভাসমান , সংরক্ষন ও রি - গ্যাসিফিকেশন ইউনিট স্থাপনের উদ্দেশ্যে এক্সেলেরেট এনার্জি বাংলাদেশ লিঃ সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। বিদ্যুৎ , জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রানালয় এবং রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি পেট্রোবাংলার সাথে এক্সেলেরেট এনার্জি দুইটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।   চুক্তিটির ফলে টার্মিনালটি সম্পন্ন হওয়ার পর বাংলাদেশ ১৫ বছর ব্যবহার করতে পারবে। তবে শিল্প উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশের আরও ৩৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন। তাইজন্যে সরকার স্থলভিত্তিক আরও চারটি টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনা করছে এবং আরও ভাসমান টার্মিনাল নির্মানের চিন্তাভাবনাও আছে। আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর পরেই এলএনজি টার্মিনাল তৈরীর প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। কিন্তু বিভিন্ন কারনে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে দেরী হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সদ্য সৌদিআরব সফর

আশা করা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সদ্য সৌদিআরব সফর দুই দেশের মধ্যে আরও বেশী মৈত্রী ও সহযোগিতা জোরদার করবে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে তার সাথে ছিলেন শেখ রেহানা, পররাষ্ট্র মন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক ও সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন সহ অন্যান্য উচ্চপদস্ত কর্মকর্তারা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন জেদ্দা কিং আবদুল আজিজ বিমানবন্দরে পৌঁছান, সৌদি সেনাবাহিনীর বিশেষ সুসজ্জিত দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। এছাড়া ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন নায়েফ বিন আব্দুল আজিজ ও দেশটির সামরিক বাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ আওয়াদ আসিম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানান। আরও ছিলেন ওআইসি’তে স্থায়ী প্রতিনিধি গোলাম মাসিহ। সাধারণত গভর্নর দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। অন্যদিকে স্বয়ং বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ রাজধানী রিয়াদে নয়, জেদ্দায় আল সালাম প্রাসাদে প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হচ্ছেন। এটা ইঙ্গিত দেয় সৌদি সরকার এই সফরকে বেশ গুরুত্ব দিয়েছে। বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে একযোগে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকারও ব্যক্ত...

জহুরুল ইসলাম - বিশিষ্ট ব্যবসায়ী

জহুরুল ইসলাম বাংলাদেশের ব্যবসা এবং শিল্পের ধারণা পুনরায় সংজ্ঞায়িত করেছিলেন।  তিনি বাংলাদেশী ব্যবসা খাতের অধিপতি ছিলেন। ইতিহাসের পাতায় নিঃসন্দেহে তিনি বাংলাদেশের ব্যবসার জনক হিসেবে পরিচিত। ব্যবসা তার রক্তে মিশে ছিল যেহেতু তিনি একটি বনিয়াদি ব্যবসায়িক পরিবারে বংশোভূত ছিলেন। জহুরুল ইসলাম ১৯৬৪ সালে তার কোম্পানি ' ইসলাম গ্রুপ ' এর মাধ্যমে ব্যবসা খাতে প্রবেশ করেন ।  তারপর থেকে ইসলাম গ্রুপ প্রকৌশল , নির্মাণ , ট্রেডিং এবং এমনকি উ ৎ পাদন সহ বহুমাত্রিক বিভাগে বিস্তার লাভ করে।কোম্পানিটি ওষুধ , বস্ত্র , পাট , বিমান , সিরামিক , মিডিয়া , রিয়েল এস্টেট , অর্থ , নির্মাণ এমনকি অত্যাবশ্যকীয় শক্তি খাতেও মনোনিবেশ করে। জহুরুল  ইসলাম   তার নানারকম চিন্তার মাধ্যমে তিনি   বৈচিত্র্যপূর্ণ চিন্তার সামর্থ্য দেখিয়েছেন যা  তার প্রজন্মের কারও ছিলনা।তার অনন্য চিন্তা ধারা এবং নেতৃত্বের ফলসরূপ ইসলাম গ্রুপ বাংলাদেশের   শীর্ষস্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়। অধ্যবসায় মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ গুণাবলীর একটি; জহুরুল ইসলামের এ...