Skip to main content

Posts

সালমান এফ রহমান হুরুন গ্লোবালের তালিকায় তার নাম দেখে বিস্মিত

সালমান এফ রহমান একজন ধণী ব্যবসায়ী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বানিজ্য উপদেষ্টা। বেইজিং বিত্তিক গবেষণা সংস্থা হুরুন গ্লোবাল বিলিয়নিয়ারের তালিকায় ১৬৮৫ তম স্থান তাকে দিয়েছে। সংস্থাটি বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যাক্তিদের তালিকা তৈরী করে থাকে।  সম্প্রতি এটি ২০১৭ সালে বিশ্বের ৬৯টি দেশের ২২৫৭ জন বিলিয়নিয়ারদের নিয়ে ধনী ব্যাক্তিদের তালিকা প্রকাশ করে।হুরুন গ্লোবালের রিপোর্ট অনুযায়ী সালমান এফ রহমানের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ . ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং তিনিই এ ধরনের তালিকায় প্রথম বাংলাদেশী। সালমান এফ রহমান বিলিয়নারদের তালিকায় নিজের নাম দেখে বিস্মিত হয়েছেন। তার মতে তিনি জানেনই না হুরুন গ্লোবাল কিভাবে তার সম্পদের হিসাব বের করেছে। তিনি বলেন হুরুন গ্লোবালের রিপোর্ট অনুযায়ী তার সম্পদের পরিমান ১ . ৩ বিলিয়ন ডলার। বেক্সিমকো গ্রুপের সর্বশেষ বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির সম্পদ এ পরিমান হতে পারে কিন্তু এটা ব্যাক্তিগত সম্পদের হিসাব নয়।

সার্ক এগিয়ে যাবে

ব্যবসায়ীদের সংগঠন সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সুরাজ বৈদ্য বলেছেন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মানুষ ভালো। শূন্য দশমিক ১ শতাংশ সন্ত্রাসবাদী। এদের কারণে ভালো মানুষেরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন সন্ত্রাসীরা ঠিকই ঘুরে বেড়ায়, তাদের ভিসার প্রয়োজন হয় না। ঢাকারর সোনারগাঁও হোটেলে সার্ক চেম্বার ও এফবিসিসিআই আয়োজিত  সুরাজ বৈদ্য এসব কথা বলেন। গোলটেবিল বৈঠকে উঠে আসে যে আঞ্চলিক বাণিজ্যে যোগাযোগ অবকাঠামো গুরুত্তপূর্ণ কিন্তু এ অঞ্চলে তা অনেক দুর্বল। আরও উঠে আসে যে সারকের রুলস অব অরিজিনেও রয়েছে জটিলতা। এদুটি বাধা সরাতে পারলে অর্থনৈতিক উন্নতির হার বেড়ে যাবে।  অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ সভাপতির বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন যে, 'সার্কের দেশগুলোর মানুষের মধ্যে প্রধান সমস্যা দারিদ্র্য কিন্তু সব দেশই অর্থনৈতিকভাবে বেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশগুলো একজোট হলে এবং  নিজেদের মধ্যে বানিজ্য বাড়ালে প্রবৃদ্ধির হার অনেক বেড়ে যাবে।' সালমান এফ রহমান চান সার্কভুক্ত দেশগুলো একজোট হোক সালমান এফ রহমান আরও বলেন, ‘আমরা দে...

রাজনীতি ও ধর্ম : সংযোগস্থলে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। দেশটির আভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও রাজনীতিতে ইসলামের অনুপ্রবেশ দেশটিকে সমূলে গ্রাস করেছে। এই অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতির বর্তমান অবস্থাটিকে সংগায়ন করতে হলে বলতে হবে যে, এটি হচ্ছে ধর্ম নিরপেক্ষ জাতীয়তাবাদী দল ও ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যকার সংঘর্ষ । হেফাজতে ইসলাম নামে একটি নতুন ইসলামিক শক্তির আবির্ভাব ঘটেছে। এর বিপরীতে আবির্ভুত হয়েছে শাহাবাগ আন্দোলন নামে আন্দোলনকারী গণজাগরন মঞ্চের। যদিও তারা বেশি দুর আগাতে পারেনি। সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে বহু বছর আগে থেকেই ইসলাম চর্চা হয়ে আসছে। তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে এ দেশের প্রতিটি পর্যায়ের মানুষই ইসলামের শিক্ষাকে ধারন করে আসছে। দেশের প্রধান দুই দল, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি তাই প্রকাশ্যেই ইসলামের প্রতি তাদের গভীর অনুরাগের কথা জনসম্মুখে বলে থাকে। বিএনপি, জামায়েত ইসলাম নামক শীর্ষস্থানীয় এক দলের সাথে জোট বেঁধেছে। হেফাজতে ইসলামকেও রাজনীতিতে আসার সুযোগ দেয়া হয়েছে। এর ফলে ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো বাস্তবের চেয়েও বেশি শক্তিধর হয়ে উঠেছে। তাই জাতীয় নির্বাচন যতই কাছে...

পোষাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের বেতন বাড়ানো না বাড়ানো

পোষাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলনরত বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নের উপর সরকারের দমন-নিপীরনের কারনে পাঁচটি আন্তর্জাতিক পোষাক ব্রান্ড এইচঅ্যান্ডএম, ইন্ডিটেক্স, সিঅ্যান্ডএ, নেক্সট ও চিবো বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় একটি পোষাক শিল্পের সম্মেলন বর্জন করেছে। দ্যা ক্লিন ক্লথস ক্যাম্পেইন বলে যে এসব ব্র্যান্ডগুলোর অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশ সরকার ও পোষাক শিল্পের সংগঠন বিজিএমইএ’র জন্য বিব্রতকর। সিঅ্যান্ডএ ট্রেড ইউনিয়নের নেতা ও শ্রমিক অধিকার কর্মীদের ডিসেম্বরে বেতন বাড়ানোর দাবিতে প্রতিবাদের কারনে আটক করায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এইচঅ্যান্ডএম ইভেন্টে অংশ গ্রহন না করার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছে যে অনুষ্ঠানে অংশ করলে এটা একটা  বিভ্রান্তি সৃষ্টি করত ও সংগঠনের স্বাধীনতায় আমাদের অঙ্গীকারের ভুল সংকেত পাঠানো হতো। আর পুনরায় ব্যবসা শুরু করা পূর্বে চলমান পরিস্থিতি অবশ্যই শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করতে হবে। বাংলাদেশ সরকার এবং পোশাক শিল্প কর্মকর্তারা্ এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে যে ডিসেম্বর থেকে আশুলিয়ায় বেতন বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলনরত পোষাক শ্রমিকদের শ্রমঅধিকার খারাপ পরিস্থিতির দিক...

সফল মানুষ ও অন্যরা

বাংলাদেশের কিছু সফল মানুষঃ আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ফজলে হাসান আবেদ শেখ হাসিনা সালমান এফ রহমান নিজামুদ্দীন আউলিয়া লিপু সাকিব আল হাসান দেশের অন্যতম সেরা ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমান বেক্সিমকো গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ১৯৭০ দশকে। বর্তমানে তিনি বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এবং আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান। এর পাশাপাশি তিনি আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। সামাজিক দায়বন্ধতার যায়গা থেকে বেক্সিমকো গ্রুপ ও সালমান এফ রহমান নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান বাড়াবার জন্যে। সালমান এফ রহমান ঢাকা স্টক একচেঞ্জে পরিচালক ছিলেন। বর্তমানে এসোসিয়েসন অব বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রি এর চেয়ারম্যান তিনি। বেক্সিমকো গ্রুপ বর্তমানে দেশের শীর্ষ স্থানীয় কম্পানী। কম্পানীটি সারা বিশ্বের মোট ৪৩টি দেশে পণ‌্য রপ্তানী করে থাকে। ৫৫ হাজারেরও বেশী মানুষ এখানে কাজ করে।

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের সাতটি চুড়া

কেউ কেউ হয়ত বলবে যে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের সাতটি চুড়া বাংলাদেশের সাত বীর শ্রেষ্ঠর প্রতিনিধিত্ব করে । আবার অনেকে হয়ত এ বিষয়ে দ্বিমত পোষন করে বলবে সাতটি চুড়ার দ্বারা বাংলাদেশের সাতটি বিপ্লবকে বুঝায় যেগুলো হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন , ১৯৫৪ , ১৯৫৮ , ১৯৬২ , ১৯৬৬ , ১৯৬৯ এর গণআন্দোলন এবং ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ । এটার ব্যাখ্যা একেক জনের কাছে একেক রকম হতে পারে যেহেতু স্মৃতিসৌধটি সার্বজনীন । একটি মজার বিষয় হলো স্থানীয় বাশের কাঠামো দ্বারা মাত্র তিন মাসের মধ্যে তৈরী করেছিল সাতটি চুড়া । জাতীয় স্মৃতিসৌধ দেখতে পিরামিডের মত নয় ; বরং বাকানো পিরামিডের মত দেখতে ! এই ইফেক্টটি তৈরী করা হয়েছে প্রত্যেকটি বাকানো অংশগুলো একের পর এক সাজিয়ে । দেখে মনে হয় এগুলো এলোমেলোভাবে একটির পর একটি বসানো হয়েছে । প্রকৃতপক্ষে এগুলো এলোমেলো নয় ! বরং এই ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট তৈরী করার জন্য খুব সুচাতুর ভাবে পরিকল্পনা অনুযায়ী একটার পর একটা সাজানো হয়েছে ।

সেনাবাহিনী ‘প্রয়াশ’ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিবন্ধি শিশু ও তরুণদের শিক্ষিত করবার লক্ষ্যে সব ক্যান্টোনমেন্টে তাদের দাতব্য স্কুল ‘প্রয়াশ’এর শাখা স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে। বেক্সিমকো গ্রুপের সহায়তায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই উদ্যোগ শুরু করেছিল। ‘প্রয়াশ’এর প্রধান শাখা ঢাকা ক্যান্টোনমেন্টে অবস্থিত। বর্তমানে স্কুলটির ৯টি শাখা রয়েছে যেখানে ৩৫ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রী সামরিক বাহিনীর পরিবারগুলোর এবং বাকি ৬৫ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রী বেসামরিক পরিবারগুলো থেকে এসেছে। ২০০৯ সাল থেকে কর্তৃপক্ষ বেসামরিক নাগরিকদের শিশুদের ভর্তি করতে শুরু করেছিল। “স্পেশাল চাইল্ড, স্পেশাল রাইটস্” স্লোগান নিয়ে প্রয়াশ আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিল। প্রতিটি শিশুর জন্য মাসে ১৫০০০ টাকা ব্যয় করা হয় এবং শিক্ষকদের বেতনসহ স্কুলটির প্রতিদিনের খরচ প্রধানত বিভিন্ন ব্যক্তি, সংগঠন ও স্থানীয় সেনাবাহিনীর অনুদান থেকে আসে যার মধ্যে অন্যতম বেক্সিমকো গ্রুপ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্কুলের ম্যানেজমেন্টকে স্কুলটির কার্যক্রম প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এখানে একটি মাল্টি ডিসিপ্লিনারি টিম ছাত্র-ছাত্রীদের মুল্যায়ন করেন এবং তাদে...