Skip to main content

Posts

জহুরুল ইসলাম - বিশিষ্ট ব্যবসায়ী

জহুরুল ইসলাম বাংলাদেশের ব্যবসা এবং শিল্পের ধারণা পুনরায় সংজ্ঞায়িত করেছিলেন।  তিনি বাংলাদেশী ব্যবসা খাতের অধিপতি ছিলেন। ইতিহাসের পাতায় নিঃসন্দেহে তিনি বাংলাদেশের ব্যবসার জনক হিসেবে পরিচিত। ব্যবসা তার রক্তে মিশে ছিল যেহেতু তিনি একটি বনিয়াদি ব্যবসায়িক পরিবারে বংশোভূত ছিলেন। জহুরুল ইসলাম ১৯৬৪ সালে তার কোম্পানি ' ইসলাম গ্রুপ ' এর মাধ্যমে ব্যবসা খাতে প্রবেশ করেন ।  তারপর থেকে ইসলাম গ্রুপ প্রকৌশল , নির্মাণ , ট্রেডিং এবং এমনকি উ ৎ পাদন সহ বহুমাত্রিক বিভাগে বিস্তার লাভ করে।কোম্পানিটি ওষুধ , বস্ত্র , পাট , বিমান , সিরামিক , মিডিয়া , রিয়েল এস্টেট , অর্থ , নির্মাণ এমনকি অত্যাবশ্যকীয় শক্তি খাতেও মনোনিবেশ করে। জহুরুল  ইসলাম   তার নানারকম চিন্তার মাধ্যমে তিনি   বৈচিত্র্যপূর্ণ চিন্তার সামর্থ্য দেখিয়েছেন যা  তার প্রজন্মের কারও ছিলনা।তার অনন্য চিন্তা ধারা এবং নেতৃত্বের ফলসরূপ ইসলাম গ্রুপ বাংলাদেশের   শীর্ষস্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়। অধ্যবসায় মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ গুণাবলীর একটি; জহুরুল ইসলামের এ...

দেশের শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষা দানের নামে চলছে রমরমা ব্যবসা

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিশ্বমানের করতে সরকার যখন নানারকম পদক্ষেপ গ্রহন করছে ঠিক তখনই সরকারের নানা রকম সিদ্ধান্তকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চলছে রমরমা যেমন সরকার মূলত গাইড নির্ভরতা কমাতে এবং ছাত্র ছাত্রীদের প্রকৃত মেধার বিকাশ ঘটাতেই সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতি চালু করে। কিন্তু হয়েছে হিতে বিপরীত।শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সৃজনশীলতার নামে ছাত্র ছাত্রীদের পুরোপুরি গাইড নির্ভর করে তুলছে।কিছুদিন আগে ঢাকার এক শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রীর সাথে কথা বলে চোখ কপালে উঠার মত অবস্থা হয়।কথা বলে জানা যায় তাদের কলেজের ইংরেজী ক্লাস নেয় ৪ জন শিক্ষক এবং প্রত্যেক শিক্ষক তাদের একটি করে গাইড কিনতে বলেছে। এক কথায় বলতে গেলে বাধ্যতামুলক করেছে।গাইড বই না নিয়ে আসলে ক্লাস থেকে বের করে দেয়ার ঘটনা ঘটছে হরহামেসা।প্রায় প্রতিটি বিষয়ের ক্ষেত্রে একই নিয়ম চলছে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য ৪ থেকে ৫ টি করে গাইড অথবা রেফারেন্স বই কিনতে হচ্ছে। এতে শিক্ষক আর প্রতিষ্ঠানগুলো  পাচ্ছে মোটা অঙ্কের  কমিশন। আর কোচিং বাণিজ্য তাতো চলছে পুরোদমেই। প্রায় বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্লাসে পড়ানো হয়না বললেই চলে।কোচিং এর নামে ত...

শীর্ষস্থানীয় পাঁচ কোম্পানি

বাংলাদেশের বেসরকারি কোম্পানি বা কর্পোরেট হাউস গুলো দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। পণ্য উৎপাদন বাড়ছে, কর্মসংস্থান হচ্ছে, ভোক্তা শ্রেণী বাড়ছে। এখানে শীর্ষস্থানীয় পাঁচ কোম্পানির কথা উল্লেখ করা হলোঃ স্কয়ার গ্রুপ স্কয়ার গ্রুপ আজ একটি  সুপরিচিত প্রতিষ্ঠানের নাম। এটিই দেশের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি। কিন্তু এর যাত্রা ১৯৫৮ সালে কঠিন পরিস্থিতিতে হয়েছিল। নাম।স্কয়ার গ্রুপ আজ  শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের নাম নয় এটি একটি সংঘঠন যা গত চার দশকেরও বেশী সময় ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে। এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ১৯৮৫ সাল থেকে বাংলাদেশের ঔষধ শিল্পে শক্তিশালী নেতৃত্বের অবস্থানে অধিষ্ঠিত এবং বিশ্ব ঔষধ শিল্পেও এখন এটি একটি সুপরিচিত বর্তমানে স্কয়ার প্রসাধন, গার্মেন্টস, টেক্সটাইল, তথ্য প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য পণ্য, খাদ্যসামগ্রী, হাসপাতালসহ প্রায় সবখাতেই বিস্তৃতির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখছে। স্থানীয় ব্যবসা উন্নয়নের মাধ্যমে বেকার সমস্যা সমাধানে অবদান রাখছে এই কোম্পানি।স্কয়ার গ্রপের গড় বার্ষিক টার্নওভার ২০০মার্কিন  ডলার। স্কয...

বিদ্যুৎ উন্নয়ন প্রকল্পে ২০৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা দিবে এডিবি

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ও বাংলাদেশ সম্প্রতি ২০৫ মিলিয়ন ডলারের একটি ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ নিরবিচ্ছিন্ন বিদুৎ সরবরাহ বৃদ্ধি, বিদুৎ উৎপাদনে দক্ষতা বৃদ্ধি ও পাওয়ার সিস্টেমে সক্ষমতা বাড়ানোর কাজে এই অর্থ ব্যবহৃত হবে। ২০১২ সালে এডিবি অনুমোদিত ‘পাওয়ার সিস্টেম এক্সপানশন এন্ড এফিসিয়েন্সি ইমপ্রুভমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (পিএসইইআইআইপি)’ এর আওতায় বাংলাদেশকে যে ৭০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা দেওয়ার কথা ছিল সেটার তৃতীয় কিস্তি এটি (২০৫ মিলিয়ন ডলার)। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এর সিনিয়র সেক্রেটারি মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দিন ও এডিবি কান্ট্রি ডিরেক্টর হিগুচি নিজ নিজ সংস্থার পক্ষে এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এক বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানিয়েছে এডিবি। পাওয়ার সিস্টেম এক্সপানশন এন্ড এফিসিয়েন্সি ইমপ্রুভমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (পিএসইইআইআইপি)’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় ২২০ মেগাওয়াট আশুগঞ্জ গ্যাস চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ৪০০ মেগাওয়াটে উন্নীতকরণ, কুমিল্লা দক্ষিণ থেকে চাঁদপুর পর্যন্ত ১৩২ কিলো ভোল্টের ৬৫ কিলোমিটার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন স্থাপন ও মাটির তলদেশ দিয়ে চট্টগ্রামের মদ...

দুর্যোগের সময়ে

দুর্যোগ যেকোন সময়ে যেকোন স্থানে আঘাত হানতে পারে।এজন্য সবার প্রস্তুতি থাকাটা জরুরী।দুর্যোগের জন্য কয়েকটি জিনিস মৌলিক চাহিদার পুরন করার জন্য প্রস্তুত রাখা উচিত। ১. পানি আপনি যদি তিনতি নিতীর কথা-অক্সিজেন ছাড়া তিন দিন, পানি ছাড়া তিন দিন, খাবার ছাড়া তিন সপ্তাহ-এই তিনটি নীতির কথা যদি আপনি মনে রাখতে পারেন তাহলে আপনি বুঝবেন পরিস্কার পানির কতটা গুরুত্ব।রান্না করতে, পান করতে এবং সাধারন স্যানিটেশনের জন্য পানি অপরিহার্য।পরিস্কার বোতলে আপনি পানি জমিয়ে রাখতে পারেন।যদি পর্যাপ্ত যায়গা থাকে তবে আপনি আরও বড় কোন কন্টেইনারের কথা ভাবতে পারেন।পানি বিশুদ্ধ করার জন্য হাতের কাছে কিছুটা ব্লিচ রাখতে পারেন।আট ফোটা ব্লিচ এক গ্যালোন পানি পরিশুদ্ধের জন্য যথেষ্ট। ২. সাময়িক বাসস্থান দুর্যোগের কারনে বাসস্থান ধ্বংশ হয়ে গেলে সাময়িক বাসস্থানের প্রয়োজন হয়।এরকম পরিস্থিতে সহজে বহনযোগ্য ও স্থাপনযোগ্য সাময়িক বাসস্থান পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সাহায্য করবে এবং বাড়ি পূনঃর্নিমাণ না হওয়া পযর্ন্ত আশ্রয় প্রদান করে থাকে। ৩. খাবার যেগুলো রান্না করার প্রয়োজন নেই খাবার ছাড়া একটি মানুষ তিন সপ্তাহ পযর্ন্ত বেচে থাকতে পা...

বেকারত্ব ও বৈষম্য – দুইটি অপ্রয়োজনীয় আত্মীয়

বেকারত্ব ও বৈষম্য একে অপরের আত্মীয়স্বজনের মত, বেকারত্বই বেশি প্রভাবশালী।একটি সমাজে একটানা বেকারত্ব গঠনগত ভাবে ও অর্থনৈতিক ভাবে বৈষম্যের সৃষ্টি করে। যদিও প্রথম বিশ্বের দেশেগুলোতে বেকারত্বের জন্য বিমা করা আছে, কিন্তু এটি শুধুমাত্র একটি  নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্রযোজ্য ।কিন্তু উন্নয়নশীল দেশ এবং  নিম্ন উন্নয়নশীল দেশের ক্ষেত্রে যেখানে সরকার বেকার জনগোষ্ঠীর তদারক করতে ব্যর্থ হয় সেখানে বৈষম্যের দুর্দশা  উচ্চ গতিতে বৃদ্ধি পেতে থাকে। বেকারত্ব ও বিল পরিশোধে ব্যর্থতার কারনে সকলে না হলেও অধিকাংশ মানুষ ধার নিতে শুরু করে যা ভবিষ্যতে তাদের জন্য আরো বোঝা হয়ে উঠে।ঋন নিতে শুরু করা এবং অবশেষে ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ার এই ঋন চক্র প্রকৃতপক্ষে কৃষ্ণ গহবর হিসেবে কাজ করে। জটিল অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কারনে এখান থেকে তারা সহজে নিস্কৃতি পায় না। মাঝে মাঝে এই প্রক্রিয়া প্রজন্মের পর প্রজন্ম চলতে থাকে।প্রকৃতপক্ষে এটি ঋণদাতা ও গ্রহীতা মধ্যে আরো বৈষম্য সৃষ্টি,অতঃপর সার্বিক বৈষম্য বৃদ্ধি করে। বেকারত্বের লক্ষ্যনীয় হার দেশের সম্পদের সঠিক ব্যবহারের অক্ষমতাকে নির্দেশ করে। অধিকন্তু আরো ইঙ্গিত করে ব্যবস্থাটি ...

একটি উন্নত অর্থনীতির জন্য রেলওয়ে এর উন্নয়ন প্রয়োজন

আধুনিক পদ্ধতি ও বিদ্যুতায়ন আমাদের মত জনবহুল দেশের চাহিদাগুলো পূরণ করতে পারে । অথচ এগুলোর অভাবে বাংলাদশে রেলযোগাযোগ যথাযথভাবে বাবহৃত হচ্ছে না । একটি উন্নত নেটওয়ার্ক যেখানে দ্রুত ও কার্যকরীভাবে সর্বস্তরের যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে সেখানে এটা আমাদের জন্য একটা বড় সুযোগ এর অপচয় । নতুন পদ্ধতি ও বিদ্দ্যুতায়ন এর দ্বারা সর্বোপরি গতি বৃদ্ধি ও উন্নত সেবার মাধ্যমে রেলওয়ে ক্ষেত্র যে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে তা পূরণ করা সম্ভব । Building Board gauge ভিত্তিক নতুন নির্দেশনাগুলো meter gauge তুলনায় যথেষ্ট উন্নত । এর সঠিক বাস্তবায়ন বাংলাদেশকে Trans-Asian Railway(TAR) নেটওর্য়াকে সামিল হতে সাহায্য করবে । তাছাড়া সর্বোপরি গতি ও সেবা উন্নত করলে তা দেশের অর্থোনীতির জন্যও লাভজনক হবে । এর ফলে মানুষকে শহর এর বাইরে থাকতে আগ্রহী হয়ে উঠবে যা ঢাকার উপর জনসংখ্যার চাপ কমাবে । দ্রুত দেশের যেকোন জায়গায় যাওয়া সম্ভবভ হলে তা আমাদের মত দেশের জন্য তার বিপুল জনসংখ্যার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত কর...